রাজনীতি

কুষ্টিয়া-৪ আসনে ধানের শীষের পরাজয়ের দায় উপজেলা বিএনপি ও যুবদলের উপর চাপানোর প্রতিবাদে কুমারখালীতে পৃথক সংবাদ সম্মেলন

কুষ্টিয়া-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আগমেদ রুমীর পরাজয়ের দায় উপজেলা বিএনপি ও যুবদলের উপর চাপানোর প্রতিবাদে কুমারখালীতে পৃথক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৫ ফেব্রুয়ারী বুধবার বেলা ১১টায় কুমারখালী উপজেলা বিএনপির হলবাজারস্থ কার্যালয়ে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে উপজেলা বিএনপি ও উপজেলা যুবদল।
উল্লেখ্য, গত ২২ ফেব্রুয়ারী কুমারখালী বাসষ্ট্যান্ডে একটি ভবনে খোকসা উপজেলা বিএনপি নেতা সৈয়দ আমজাদ আলী, আনিসুর রহমান ও অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম লিপন এক সংবাদ সম্মেলনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের দায় কুমারখালী উপজেলা বিএনপি ও যুবদলের উপর চাপায়। এরই প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ লুৎফর রহমান।
এসময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নুরুল ইনসলাম আনছার প্রামানিকসহ বিভিন্ন স্তরের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের পর পরই যুবদলের উদ্যোগে আরো একটি সম্মেলন একই কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
উভয় সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ১২ ফেব্রুয়ারী ত্রয়োদশ জাতীয় সংঙ্গন নির্বাচন-২০২৬ ইং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির খোকসা-কুমারখালী ৭৮-কষ্টিয়া-৪ আসনের নির্বাচন এবং বিগত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন বিষয়ে আপনাদের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান ও বর্তমান বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান মন্ত্রি জনাব তারেক রহমাদের নিকট তুলে ধরতে আজকে এই সাংবাদ সম্মেলনে আপনাদেরকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি।
প্রিয় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমারখালী উপজেলা ও পৌর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির দায়িত্বে ছিলেন তরিকুল ইসলাম লিপন, এডভোকেট শাণ্ডিল মাহমুদ ও আব্দুল রাজ্জাক বাচ্চু। তাছাড়া বর্তমান উপজেলা ও পৌর কমিটির কোন নেতৃবৃন্দকে নির্বাচন পরিচালনা কমিটিতে নাম দেওয়া হয় নাই। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির বিশ্বস্ত হাতিয়ার নামে পরিচিত তরিকুল ইসলাম লিপন, এডভোকেট শাতিল মাহমুদ ও আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু এই তিন জনই ধানের শীষের প্রার্থীকে ভুল তথ্য দিয়ে বুঝিয়েছেন, তারা বলেছেন মেহেদী ভাই আপনি কোন প্রকার চিন্তা করবেন না আমরা কুমারখালী উপজেলা হতেই ৭০ হাজার ভোটের ব্যবধানে আপনাকে বিজয় করে আনবো। তাই এই সংসদ নির্বাচনে কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপির কোন কমিটির লোকের প্রয়োজন নাই। এই নির্বাচনে পলিং এজেন্ট পর্যন্ত আমাদের সহিত কোন প্রকার আলাপ আলোচনা না করে আওয়ামীলীগের লোকজন ও জামায়াতের লোকজন দিয়ে পলিং এজেন্ট নির্বাচিত করা হয়েছিল। এটি একটি নির্বাচনের পরাজয়ের কারণ বলে আমরা মনে করি। নির্বাচনের পরাজয়ের দায়ভার এই তিনজনকেই নিতে হইবে। সর্বপরি আমরা বলতে চাই যে, কুমারখালী উপজেলা ও পৌর নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ভরিকুল ইসলাম লিপন, এডভোকেট পাতিল মাহমুদ ও আব্দুল রাজ্জাক বাচ্চু ধানের শীষের প্রার্থী জনাব সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির বিশ্বস্ত হাতিয়ার হিসাবে প্রার্থীকে ভুল তথ্য দেওয়া নির্বাচনের পরাজয়ের একটি কারণ বলে আমরা মনে করি।
এছাড়াও ধানের শীষের প্রার্থীর অতিরিক্ত অহংকারী আচরণ এবং দাড়িপাল্লার প্রার্থীতে তুচ্ছ মনে করে আওয়ামীলীগ প্রীতি ভোট প্রচারনায় নির্বাচনের সৃঙ্খলার অভাব এবং অযোগ্য ব্যাক্তিদের দিয়ে নির্বাচন পরিচালনা করা এবং দলের তৃণমূল নেতাকর্মীদেরকে নির্বাচনে করি অবমূল্যায়ন করায় পরাজয়ের আরো একটি কারন বলে মনে করি।
বিগত ১৭টি বৎসর আমরা ফ্যাসিবাদ আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্র ক কর্মসূচীর আলোকে খোকসা কুমারখালীর বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দে করেছি। যার ফলশ্রুতিতে আপনারা দেখেছেন বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক, সাধারণ সম্পাদ মোঃ লুৎফর রহমানসহ কুমারখালী উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং প্রত্যেকট নেতৃবৃন্দসহ আমরা একাধিক গায়েবী মামলার আসামী হয়ে বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়েছি এবং কারাবরণ করেছি।
পক্ষান্তরে বিগত ১৭টি বৎসর ফ্যাসিবাদ আজ্ঞ বিরুদ্ধে আন্দোলন সংগ্রামে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমিসহ তরিকুল ইসলাম লিপন থেকে ভাড়াটিয়া হিসাবে ডেকে আনা আগত সৈয়দ আমজাদ আলী ও খোল বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, আনিচুর রহমান, শাতিল মাহমুদ ও বাচ্চু আন্দোলন সংগ্রামে আমরা কোনদিন রাজপথে দেখি নাই বা পাই নাই। মেহেদী আহমেদ রুমি সাহেব এমপি থাকাকালীন সময়ে তারা সর্বোচ্চ সুবিধা এটাও এই নির্বাচনে পরাজয় বরণের একটি উল্লেখযোগ্য কারণ বলে আমরা মনেকরি।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ, গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে কুমারখালী উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন নি ভোটের মাধ্যমে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সে পদে মোঃ হাফিজুর রহমান সাধারণ সম্পাদক পদে, এডভোকেট শাতিল মাহমুদ সাংগাঠনিক সম্পাদক পদে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জিলাল প্রতিদ্বন্দিতায় ভোটের মাধ্যমে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির প্রার্থী হিসাবে পরাজিত হয়। পক্ষান্তরে সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক/সাংগাঠনিক সম্পাদক নিয়ে আমরা পূর্ণ বিজয়ী হয়ে দলের কর্মকান্ড চালিয়ে আসছি। আমাদের ১১টি ইউনিয়ন কমিটি ৯৯টি ও উপজেলা ও পৌর কমিটিতে কোন প্রকার আওয়ামীলীগের দোষর বা আও লোকবল নেই।
আমাদের প্রশ্ন কুমারখালীতে তরিকুল ইসলাম লিপন উনি দলের কোন পদে আছেন? গত ২২/০২/২০২৬ তারিখে কুমারখালী বাসস্টান্ড এলাকার থেকে তরিকুল ইসলাম লিপন, খোকসার ভাড়াটিয়া হিসাবে আগত সৈয়দা আনিচুর রহমান ও কুষ্টিয়া-৪ আসনের নির্বাচন ও আমাদের বিএনপি কমিটির দিয়েচেন সেটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক মনগড়া এবং উদ্দেশ্য জড়ালোভাবে কুমারখালী থানা ও পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে উক্ত অগ্রহণে বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জ্ঞাপন করছি।
আমরা দেখতে পেয়েছি যে, ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ কমিটির প্রধান তরিকুল ইসলাম লিপন এবং শাতিল মাহমুদ ধানের শীষেরা কুমারখালী পৌর মেয়র হওয়ার আগাম প্রচার প্রচারণা করে এবং শাতিল উপজেলার চেয়ারম্যান হওয়ার আগাম প্রচার প্রচারণা করে ও পরবর্তীতে ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি নিজেও ঐ দুইজনকে দুই প্রার্থী হিসাবে প্রচার করায় তার নিজের নির্বাচনের মারাত্বক ক্ষতি সাধিত হয়।
প্রিয় সাংবাদিক ভাইয়েরা, আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম আনছার প্রামাণিক সাহেব নিজেও একজন ধানের শীর্ষের নমিনেশন চেয়েছিলেন। যেকোন কারণবশত উনি মনোনয়ন বঞ্চিত হন। আনছার প্রামাণিক সাহেব দলের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে আপিল পর্যন্তও করেন নাই। গত ০৩/১১/২০২৫ তারিখে ধানের শীষের নমিনেশন সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি সাহেব পাওয়ায় দলের পক্ষে ধানের শীষের নির্বাচন করিবার লক্ষ্যে গত ০৮/০১/২০২৬ তারিখে আমরা কুমারখালী থানা ও পৌর বিএনপির উদ্দ্যোগে কুমারখালী থানা বিএনপির অফিসে বৈকাল ৫ ঘটিকায় একটি মিটিং করি। তারপর গত ১৮/০১/২০২৬ তারিখে সংসন নির্বাচন বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনার জন্য আমরা ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমিকে দাওয়াত করি এবং উনি দাওয়াত কবুল করে মিটিংয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিয়ে উক্ত মিটিংকে আসতে অপারকতা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে আমরা তার অনুপস্থিতিতে আমরা নির্বাচনী মিটিংয়ের কার্যক্রম শেষ করি। পরবর্তীতে আমরা ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমিকে অনেক অনুরোধ করে গত ২৬/০১/২০২৬ তারিখে কুমারখালী উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ের মিটিংয়ে উপস্থিত করতে সক্ষম হই।
সর্বপরি মিটিংয়ের সিদ্ধান্ত হয় যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ কুমারখালী থানা ও পৌর বিএনপির কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন পরিচালনা করতে হবে। উক্ত মিটিংয়ের রেজুলেশন কপি কুমারখালী থানা ও পৌর বিএনপির পার্টি অফিসে সংরক্ষণ আছে। পরিবর্তীতে ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি সাহেব আমাদের সহিত কোন প্রকার যোগাযোগ ও কোন কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন করেন নাই। বিষয়টি কেন্দ্রর নির্বাচন সেলে কুমারখালী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাকছেদুল মোমিন খাঁনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে। আমরা আমাদের সাধ্য মোতাবেক বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভার ওয়াডে ওয়াডে নির্বাচনী অফিস উদ্বোধন করে ধানের শীষের পক্ষে নির্বাচন করেছি এবং ভোট দিয়েছি তার প্রমাণসহ ফুটেজ আমাদের কাছে সংরক্ষণ আছে।
যুবদলের সংবাদসম্মেলনে জানানো হয়, প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, নির্বাচন পরিচাণনায় ছিলেন তরিকুল ইসলাম লিপন, শাারিল মাহমুদ ও আব্দুর রাজ্জাক। আমরা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমরা নির্বাচনের দিন পর্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে নির্বাচনের কাজ করে যায়, নির্বাচন পরবর্তীতে আমরা দেখতে পেলাম এ সকল যড়যন্ত্রকারী যারা কুমারখালী বিএনপিকে ধ্বংস করতে চায়। যারা ১৭ বছর কোন আন্দোলন সজ্ঞানের ছিলনা, কোনদিন যাদেরকে আমরা রাজপথে দেখতে পায় নাই, যাদেরকে কোনদিন কোর্ট এর বাহান্দায় পাই না, তারা আবার নতুন করে ধড়যন্ত্র কওে, ভুল বুঝিয়ে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ তারিখে আমাদের নেতা জাকারিয়া মিলন ভাইকে পুনয়ায় বহিষ্কার করে। আমরা দিগত ১৭ পর আমাদের নেতা এ্যাডভোকেট জাকারিয়া আসস্থার মিলন ভাইয়ের নেতৃত্বে কুমারখালী কুষ্টিয়াসহ বাংলাদেশের সকল জায়গায় আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, একাধিক মামলার খেয়েছি, হামলার শিকার হয়েছি এবং জেল জুলুম খেটেছি, তবুও আমরা রাজপথ ছেড়ে যাই নাই। বিএনপি নেতা দাবি করা তরিকুল ইসলামকে আমরা কোন আন্দোলন সংগ্রামে দেখতে পাই নাই, তিনি বহাল তবিয়তে আ‘লীগের সাথে আতাত করে বিগত আওয়ামী লীগের এমপিদের সাথে মহিলা কলেজের সকল অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। যেহেতু আমরা আন্দোলন সংগ্রাম করেছি, রাজপথে থেকেছি, নির্বাচনকালীন সময়ে হবে সর্বোচ্চটুকু দিয়ে নির্বাচন করেছি, ধানের শীষের প্রার্থী পরাজয় আমাদের হৃদয়ে কষ্ট পেয়েছি। এই কষ্ট উনারা বুঝবেন কি করে।
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, বিএনপি নেতা দাবি করা তরিকুল ইসলাম বিপন যেই মিথ্যা অভিযোগ করেছেন তার মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার করে অতিবলম্বে ক্ষমা চাইতে হবে, তা না হলে কুমারখালী উপজেলা পৌর যুবদলের সকল নেতৃবৃন্দ তরিকুল ইসলাম লিপনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাসহ আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবে। সর্বোপরি আমরা বলতে চাই কুমারখালী নির্বাচন কমিটির প্রধান তরিকুল ইসলাম বিপন, আব্দুর রাজ্জাক ও শাতিল হাহমুদ, সুকৌশলে ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির বিশ্বস্ত হাতিয়ার এই তিনজন প্রার্থীকে ভুল তথ্য দিতে অতি অহংকারী আচরণ, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস ও আওয়ামীলীগ প্রীতি ভোট প্রচারণায় শৃঙ্খলার অভাব এবং অযোগ্য বাক্তিদের ভোট পরিচালনার নেতৃত্ব দেওয়ায় এবং নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আন্তরিকতার অভাব, তৃণমূল দলের কর্মীদের অবমূল্যায়ন, সর্বোপরি সমাজের অগ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে ভোট পরিচালনা করায় ধানের শীষের প্রার্থীর পরাজয়ের মূল কারণ বলে আমরা মনে করি। সেজন্য কুষ্টিয়া-৪ কুমারখালী-খোকসা আসনে ধানের শীষের পরাজয়ের সকল দায়-দায়িত্ব নির্বাচন পরিচালনা কমিটি তরিকুল ইসলাম বিপন, আব্দুর রাজ্জাক ও শাতিল মাহমুদকেই নিতে হবে উনারা এই দায় এড়াতে পারেন না।
উভয় সংবাদ সম্মেলনে কুষ্টিয়া ও কুমারখালীর বিভিন্নমিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন সময়ে গনসংযোগের ছবি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরা হয়।

আরও খবর

Sponsered content