24 January 2026 , 4:09:03 প্রিন্ট সংস্করণ
কুষ্টিয়া-৪ (খোকসা-কুমারখালী) আসনের নন্দলালপুর ইউনিয়নে বিএনপির নির্বাচনী তৎপরতা বাড়াতে চড়াইকোল বোর্ড অফিস স্কুল মাঠে গতকাল শুক্রবার বিকেলে এক নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। নন্দলালপুর ইউনিয়ন বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে সভার সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল কালাম আজাদ। সভা স্থল ভরে ওঠে বিএনপির নেতা-কর্মী ও সাধারণ ভোটারে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কুষ্টিয়া-৪ আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য প্রার্থী সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমারখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শাতিল মাহমুদ, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কে এম আলম টমে, আব্দুর রাজ্জাক বাচ্চু, কুমারখালী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম লিপন, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মেজবাউর রহমান পিন্টু, জেলা বিএনপির সদস্য আব্দুল মঈদ বাবুল এবং সাবেক অধ্যক্ষ নওয়াব আলী। উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মোজাক্কির রহমান রাব্বি ও নন্দলালপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার শাহজাহান আলীসহ স্থানীয় অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাুকর্মীরা।
বক্তব্যে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী বলেন, জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য আসন্ন নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দাবি করেন, বিগত সময়ে এই আসনের মানুষ তাঁকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন, আর তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের গত ১৭ বছরের নির্যাতনের মাঝেও এলাকায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন মানুষের পাশে থাকতে। বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে এবং কুষ্টিয়া-৪ আসনে ধানের শীষ বিজয়ী হলে কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি।
দুর্নীতিবিরোধী অবস্থান তুলে ধরে রুমী বলেন, “বেশ কয়েকবার এমপি ছিলাম, বহু টাকা ইনকাম করার সুযোগ ছিল, কিন্তু কোনো দিন ১ টাকাও দুর্নীতি করি নাই। গম বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা নিতে পারতাম, কিন্তু দুর্নীতিকে ঘৃণা করি বলে এক টাকাও দুই নম্বরভাবে কামাই নাই।” তিনি আরও বলেন, ইমান ও নীতি বেচে কোনো কাজ করা যাবে না। উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক রাজনীতির স্বার্থে কুষ্টিয়া-৪ আসনের জনগণ ধানের শীষের পক্ষে রায় দেবেন—এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।





