চাঁদাবাজদের হাতে সম্মানের কাজ তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ভয় পেয়ো না চাঁদাবাজ, তোমরাও এই সমাজের মানুষ। আমরা ইনশাআল্লাহ তোমাদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দিবো। তোমরাও সম্মানের সাথে বসবাস করবা। সেদিন আর তোমাদের মুখ লুকিয়ে চলতে হবে না সমাজে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে এস এম উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘দুইটা কারণে আমাদের কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পায় না। প্রথমত মধ্যস্বত্বভোগী, দ্বিতীয়ত ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি। আমরা সব চাঁদাবাজদের নির্মূল করবো।’
আমরা বাংলাদেশে আধিপত্যবাদের ছায়া দেখতে চাই না জানিয়ে জামায়াতে আমির বলেন, অবশ্যই বিশ্বের সব সভ্য দেশের সঙ্গে আমরা বন্ধুত্বের সম্পর্ক চাই, আমরা প্রতিবেশীদেরও আমাদের প্রতিবেশী হিসেবে দেখতে চাই। আমরা কারও ওপর খবরদারি করতে চাই না। আর কেউ এসে বাংলাদেশের ওপর খবরদারি করুক, তাও দেখতে চাই না। আমাদের কথা একদম পরিষ্কার। ৫৪ বছর যেই শাসন, যেই রাজনৈতিক ব্যবস্থা, যে বন্দোবস্ত দেশবাসীকে ফ্যাসিবাদ উপহার দিয়েছে। এই শাসন আমরা আর দেখতে চাই না। আমরা চাই তার আমূল পরিবর্তন।
গণভোটে হ্যাঁ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, আগামী ১২ তারিখ। একসঙ্গে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হবে। গণভোট আর সাধারণ নির্বাচন। আমি বলব, গণভোট সফল হলে সাধারণ নির্বাচন সফল হবে। তাই গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বলতে হবে। জুলাই শহীদের প্রতি সম্মান দেখানোর জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।
উত্তরবঙ্গের নদীগুলো এখন মরুভূমি, কঙ্কাল হয়ে পড়েছে উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, ‘নদীর জীবন ফিরে আসলে নর্থ বেঙ্গলের জীবন ফিরে আসবে। আমরা গোটা নর্থ বেঙ্গলকে একটা কৃষিভিত্তিক রাজধানীতে পরিণত করতে চাই। সরকার গঠন করতে পারলে আমরা সবার আগে দৃষ্টি দেব এই নদীগুলোর ওপর। তিস্তা মহাপরিকল্পনার পাশাপাশি নদীগুলোকে জীবন দেওয়ার মহাপরিকল্পনা নেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।’ বক্তব্য শেষে গাইবান্ধার ৫টি আসনে জামায়াতের প্রার্থীদের হাতে দলীয় প্রতীক তুলে দেন তিনি।











