শান্তির দেশ নির্মাণের কারিগর হিসাবে কাজ করবে তাঁরা-এটাই চাই

সাংবাদিক জসিম উদ্দীন ইতি: বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিকরূপে কাজ করতে হবে-এটাই প্রথম ও প্রধান চিন্তা হওয়া চাই। আওয়ামী লীগের মূল উদ্দেশ্য ও জনসেবার ব্রত। সংবিধানের নীতিতে অবিচল থেকে বঙ্গবন্ধুর স্বাপ্নয়িত সম্প্রীতিময় মানবিক বাঙালি চেতনায় দেশ গড়ার নিবেদিত কারিগর হতে হবে। কলুষময় চরিত্রহীন রাজনীতি বঙ্গোপসাগরে নিক্ষেপ করে শেখ হাসিনার শুদ্ধি অভিযানের কষ্টিপাথরে পরীক্ষিত সৈনিক হিসাবে নেতাকর্মীদের দেখতে চাই। টিমওয়ার্কে নেতাকর্মীদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে সক্ষম কর্মী নিয়ে দলগঠন হোক-এটা একান্তভাবে কামনা করি। ভাগ্যোন্নয়নে বা উচ্চতর নেতৃত্বের পদলোভীরা যাতে কমিটিতে স্থান না পান।

যেসব নেতার জনগণের বিপদাপদে ঝাঁপিয়ে পড়ার শক্তি-সামর্থ্য ও মন-মানসিকতা আছে, এমন নেতাদের নিয়ে কমিটি গঠনই প্রত্যাশিত। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজ দলনেতা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পরমতসহিষ্ণু সুশৃঙ্খল নেতাদের নিয়ে দল গঠন প্রত্যাশা করি। দেশের মূলনীতি অনুসরণকারী বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্ব সম্পর্কে এগিয়ে যাওয়ার মননশীল নেতা কমিটিতে দেখতে সন্ত্রাস,জঙ্গিবাদ, মাদক, জুয়া নির্মূলে আপসহীন নেতৃত্ব চাই। দুর্বল জনগোষ্ঠীর বিপদে তাদের পাশে পাওয়ার মতো নেতা চাই। সংখ্যালঘুদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টিকারীদের প্রতিহতকারী শক্ত ও মজবুত নেতৃত্ব একান্তভাবে আশা করি। স্বাধীনতার চেতনাসমৃদ্ধ নেতৃত্ব প্রয়োজন। শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারীদের সামাল দিয়ে দেশকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার মতো নেতাদের দ্বারা দল গঠন করা হোক। স্বাধীনতার পক্ষের নেতাদের নিয়ে দল গঠন করা হোক।

মুক্তিযুদ্ধে আওয়ামী লীগের অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে বাংলাদেশের ইতিহাসে। নিঃস্বার্থভাবে যাঁরা আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন তাঁরা সংগঠনের সঙ্গে সরাসরি না জড়িয়ে দুর্নাম বইতে চাইছেন না এখন আর। এ রকম কোটি কোটি সমর্থকের আজ একটিই চাওয়া, এবারের সম্মেলনে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব আওয়ামী লীগে যাঁরা থাকবেন অথবা আছেন এবং আসবেন তাঁদের মধ্যে যাতে কোনো দুর্নীতিবাজ, লুটেরা,দখলবাজ,অবৈধভাবে উপার্জনকারী,হিংসুক চাঁদাবাজসহ কোনো ধরণের অপরাধী সংগঠনের ঠাঁই না পায়, এটাই কামনা করেন যাঁরা নিঃস্বার্থভাবে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করেন। সেই সঙ্গে অবশ্যই দৃষ্টি রাখতে হবে, স্বাধীনতাবিরোধী চক্রের কেউ যাতে এই সংগঠনে ঠাঁই না পায়।

মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী সংগন আওয়ামী লীগ স্বাধীনতার পর দেশকে নানাভাবে এগিয়ে নিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর অনেক স্বপ্ন ও ইচ্ছ ছিল, যা তিনি পূরণ করে যেতে পারেননি। তাঁর যোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা সেই স্বপ্নগুলো পূরণ করে চলেছেন যা বাংলার সাধারন মানুষ স-চোখে দেখছেন তাই নতুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কমিটিকে হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের খাঁটি চেতনায় সমৃদ্ধ। দল এখন ক্ষমতায়, মানুষের আস্থা আছে ধনী-দরিদ্র ভেদাভেদ নিরশন করে শান্তির দেশ নির্মাণের কারিগর হিসাবে কাজ করবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তরুণ-নবীণ-প্রবীন- নেতাকর্মীগুলো।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here