খোকসায় মহিষবাথান গ্রামের সড়কের বেহালদশা

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার জয়ন্তীহাজরা ইউনিয়নে মহিষবাথান গ্রামের এক কিলোমিটার সড়কের বেহালদশা । এক কিলোমিটার সড়কে যাতায়াত করার অযোগ্য হয়ে পড়েছে। অসময়ে বৃষ্টি ও সড়কে মাটি বোঝাই ড্রাম ট্রাক যাওয়ার কারনে সড়কটি বেহালদশায় পরিনত হয়েছে ।

সড়কে প্রতিদিন ভ্যানসহ অন্যান্য পন্যবাহী যানবাহন চলাচল করে থাকে ।স্থানীয় বাজার ভবানীগঞ্জ ফুলবাড়ী, সেনগ্রাম কালিতলা জয়ন্তীহাজরা স্কুল মোড় , শোমসপুর হয়ে খোকসা সদরে যাওয়ার একমাত্র সড়কটি হল মহিষবাথান গ্রামের মাঝে দিয়ে যাওয়া এই সড়ক । এই সড়কে আরও গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে সেটি হল কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী জেলার সংযোগ হিসাবে । এই সড়কের মাধ্যমে কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী জেলার সিমান্তে অবস্থান । যা দুইটি জেলার সেতুবন্ধন হিসাবে কাজ করছে ।

প্রত্যক্ষদর্শীরা মহিষবাথান গ্রামের আব্দুল বারিক বলেন, সড়কের অবস্থা খুবই খারাপ যাওয়া আসা ও গাড়ী গোড়া চলা যাচ্ছে না, মালামালা ও যে কোন জিনিস নিয়ে যাওয়া যায় না। একই গ্রামের ভ্যাল চালকের পরিবার বলেন, কিস্তি নিয়ে টাকা তোলায় ভ্যান ক্রয় করে বিপাকে আছি কারন সড়কে কাঁদা মাটি ও বৃষ্টি হওয়ার কাজে বেড় হতে পারছে না । কিন্তু সময়মত কিস্তির টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে । আরেকজন রাবেয়া ভ্যান চালকের পরিবার বলেন, ভ্যান রিক্সা নেওয়া যাচ্ছে না অসুবিধা হচ্ছে , ভ্যান রিক্সা এই সড়কে নাবালে কাঁদা মাটিতে একাকার হয়ে যায় , যা পরিবর্তীতে দৌত করতে ঘন্টা দুইয়েক সময় লাগে ।

তিনি আরও বলেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা সড়কে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি নিয়ে যাচ্ছে । বিদ্যুৎ ছিল না বিদ্যূৎ পেয়েছি, পাঁকা সড়কের বিশেষ প্রয়োজন, একই গ্রামের ইতি খাতুন বক্কর মন্ডলের মেয়ে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী বলে, সড়কে বৃষ্টির সময় কাঁদামাটি একাকার হযে যায, স্কুলে যেতে বই পত্র নিয়ে অনেকসময় মাটিতে পড়ে সমস্ত শরীর ও পোশাক নষ্ট হয়ে যায ফলে স্কুলে যেতে বেশী সময় লাগে । ধোকড়াকোল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেনী পড়ুয়া ছাত্রী যুথি বলে, কাঁদা মাটি পায়ে জরিযে যায়, সময়বেশী লাগে ফলে শ্রেনীকক্ষে পাঠদানের আগে স্কুলে যেতে পারি না ফলে শিক্ষকরা রাগ করে ।

এ রকম ঐ গ্রামের মাসুমা, মুক্তি, রিতা, বাবেয়া ও মুসলিমাদের ভোগান্তির শেষ নেই । একই গ্রামের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যাকাউন্টিংয়ে পড়া ছাত্র সাগর বলে, এক সপ্তাহ আগে বাড়ী আসছি, সড়কে হাঁটা চলা যাচ্ছে না, একজন অসুস্থ্য হলে রোগীর চিকিৎসা কেন্দ্রে নিযে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ছে । এ পযর্ন্ত স্থানীয় প্রতিনিধি কেহ সড়কটি দেখতে আসেনি। উল্লেখ্য যে, এই এক কিলোমিটার সড়কের সামনে ও পিছনের অংশের প্রথম পর্যায়ের ইটের ম্যাকাডমের কাজ ইতিমধ্যে দায়সারা গোছে সম্পুর্ন করা হযেছে ।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here