আব্দুস সালাম অন্তরের কবিতা ধর্ষণ

আব্দুস সালাম অন্তরঃ সমাজের আজ এ কোন দুর্গতি এ কি হয়েছে হাল,
নারী জাতি আজ নয়তো নিরাপদ আতঙ্কে করছে দিন পার।
শকুনের দল ওত পেতে থাকে পথে কিংবা বাসে,
একলা কোন নারী দেখলে ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাবে।
বিচার নাইকো এই সমাজে বিচার নাই কোন দেশে,
ধর্ষকেরা ধর্ষণ করে মহা সুখে হাসে।
আজ যদি থাকতো উচিত বিচার ধর্ষণে লিঙ্গ কর্তন,
তাহলে হয়তো বেঁচে যেত শত শত মা বোন।
ধর্ষণ এখন সামাজিক ব্যাধি ক্যান্সারের থেকেও ক্ষতিকর,
ক্ষতির মুখে নারী ও শিশু বাদ পড়ছেন বৃদ্ধারাও।
যখন শুনি নিষ্পাপ শিশু আজ ধর্ষণের শিকার,
তখন মনে হয় দেশটি আমার কলঙ্কের পাহাড়।
ধর্ষণের পর হত্যা যখন নিত্যদিনের খবর,
লজ্জার ঘৃণায় মাটিচাপা পড়ে ওই দুখিনীর কবর।
বিচারের আশায় দুয়ারে দুয়ারে ঘুরে তাহার বাবা-মা,
কবরেতে লাশ পচে যায় তবুও বিচার হয় না।
এই সমাজের একোন দুর্গতি আপন মেয়েও পাইনা রক্ষা
বাবা যখন ধর্ষক রুপে কি করবে তার মা।
কি দরকার ছিল পতিতালয় মোড়ে মোড়ে খোলা?
লাইসেন্স রেখে ব্যবসা করলোও ধর্ষণ কমে না।

যখন শুনি বৃদ্ধা দাদুর ধর্ষণ করেছে শিশু,
মনে হয় তখন মানুষ নয় এরা মানুষ নামের নরপশু।
চিতা যখন শিকার ধরে থাবায় থাবায় করে কুপোকাত,
ধর্ষকের ও হিংস্র থাবায় শত নারী আজ হয়ে বরবাদ।
অনেক ধর্ষণ এই সমাজে নিরবেই থেকে যায়,
মুখ খোলে না সম্মানের ভয়ে যদি দুর্নাম রটে যায়।
প্রহর গুনছে শত ধর্ষিতা আসবে সেই দিন,
ধর্ষক নামক ক্যান্সার গুলোর নিরাময় ভ্যাকসিন।
কবে আসবে সেই সোনালী সময় কবে আসবে সেই দিন,
ধর্ষণের কথা কেউ চিন্তা করলেও ভয়ে কেঁপে উঠবে দিল।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here