ধর্ষণের শাস্তি যৌন ক্ষমতা ধ্বংস

শিশু ধর্ষণের জন্য যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির বিধান নেই ইউক্রেনে। তাই দেশটির পার্লামেন্টের বিশেষ অধিবেশনে ধর্ষণকারীদের ইনজেকশনের মাধ্যমে ধর্ষকে যৌন সক্ষমতা ধ্বংস করার আইন পাস করা হয়েছে। এ আইনে অপরাধ প্রমাণিত হলে ১৮ থেকে ৬৫ বছরের পুরুষের ক্ষেত্রে শাস্তিটি কার্যকর করা হবে। এ ছাড়া ওই আইনে শিশু ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা ১২ থেকে বাড়িয়ে ১৫ বছর করা হয়েছে।

দেশটির জাতীয় পুলিশপ্রধান ভিয়াচেস্লাভ আব্রোসকিন বলেন, মাত্র ২৪ ঘণ্টার ভেতরে চারটি অঞ্চলে পাঁচ শিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এ অপরাধের ঘটনাগুলো অভিভাবকরা পুলিশের কাছে দায়ের করেছেন। কিন্তু সারাদেশে শিশুদের যৌন হামলার শিকার হওয়ার সঠিক সংখ্যা আমরা ধারণা করতে পারি শুধু।

শিশুর বিরুদ্ধে যৌন হামলার বিরুদ্ধে কঠোর আইনটি দেশটির পার্লামেন্টে পাস হয়েছে। র‌্যাডিকাল পার্টির নেতা ওলেগ লিয়াশকো শাস্তির প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন।

তিনি বলেন, ইউক্রেনের আইনে শিশুদের যৌন হামলাকারীদের জন্য যাবজ্জীবন বা মৃত্যুদণ্ডের শাস্তির বিধান নেই। কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে ধর্ষকরা তার পুরনো রূপে ফিরে যায়। নতুন এ আইনে ইউক্রেন শিশুর ধর্ষণকারী হিসেবে কারাদণ্ড পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকাভুক্ত করার জন্য একটি সরকারি শাখাও চালু করা হবে। কারাগার থেকে বের হওয়ার পর এ অপরাধীদের নজরদারিতে রাখবে শাখাটি। এ ছাড়া শিশু ধর্ষণের সর্বোচ্চ সাজা ১২ থেকে বাড়িয়ে ১৫ বছর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে ইউক্রেনে ৩২০ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। তবে ধারণা করা হয়, বাস্তবে এ সংখ্যা কয়েক হাজার হবে।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here