এক নির্ভীক সাংবাদিক ও সমাজকর্মকার নয়নের অজানা কথা

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ “এসো মানব কল্যানে কাজ করি”এই শ্লোগানে মুখোরিত হয়ে নিজের ও পরিবারের সমস্ত সুখ, শান্তি, দায়িত্ব বিসর্জন দিয়ে অতি অল্প বয়সে সমাজের বঞ্চিত ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজের উপজেলা প্রতিনিধি,কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক বাংলাদেশ বার্তার স্টাফ রিপোর্টার, ও অনলাইন ক্রাইমভিশন টুয়েন্টিফোর ডট কমের জেলা প্রতিনিধি তরুন নির্ভীক সাংবাদিক ও সমাজকর্মকার মিজানুর রহমান নয়ন।

সম্প্রতি সময়ে সামাজিক যোগাযোগের দ্রুততম মাধ্যম ফেজবুক ও তার সংবাদ পত্রে প্রকাশিত সংবাদ পড়ে জানা যায় যে,তার লেখনীতে ফুঁটে উঠেছে সমাজের অসহায় মানুষের সহায়ক,বঞ্চিত মানুষের অধিকার ফিড়িয়ে দেওয়া ও সামাজিক উন্নয়ের চিত্র।প্রায় প্রতিদিনই তার লেখনীতে পাওয়া যায়,মেধাবী ও দরিদ্র শিক্ষার্থীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন,প্রতিবন্ধী,বিধবা ও বয়স্ক ভাতা প্রদানের মাধ্যমে অধিকার ফিড়িয়ে দিন এবং সমাজের প্রধান ও গ্রামীণ রাস্তার সংস্কার,ইউপি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেহাল দশা,নানান সমস্যায় জর্জায়িত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ উন্নয়নমুলক চিত্র।

জানা গেছে বর্তমান সমাজে যখন প্রতিটি মানুষ ক্যারিয়ার গড়ার মাধ্যমে অর্থ সম্পদ অর্জনে ব্যস্ত তখন তিনি ঘর থেকে টাকা নিয়ে মহৎ পেশা সাংবাদিকতার মাধ্যমে অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের পিছনে ব্যয় করছে।তরুন সাংবাদিক নয়ন এখন প্রতিটি সচেতন মানুষের কাছে প্রতিদিনের আলোচনার বিষয় ও মহান পেশা সাংবাদিকতার আদর্শে পরিনিতির কাছাকাছি পৌঁছেছে।সামাজিক যোগাযোগের দ্রুততম মাধ্যম ফেজবুকে বর্তমানে নয়ন কে নিয়ে ধন্যবাদ,অভিনন্দন,এগিয়ে যাও,মহৎ উদ্যোগ,ভাল কাজ আর প্রশংসায় পঞ্চমুখ সবাই।এমনটায় লক্ষ করা গেছে তরুন সাংবাদিক ও সমাজ কর্মকার মিজানুর রহমান নয়ন এর অফিসিয়াল ফেজবুক পেজে।
সাংবাদিক নয়নের শুরুর গল্পটা জানতে চাইলে তিনি বলেন কবে কখন কিভাবে সাংবাদিকতায় এসেছি তা আমার কাছে অস্পষ্ট।তবে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিতে এখনও সংকোচ বোধ করি কারন সাংবাদিকতা একটা মহৎ পেশা।দুকলাম লিখলেই নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে মিলে তোলা যায়না।এটা আরো গভীর ও তাত্বিক বিষয়।
সাংবাদিক পরিচয়ে সবাই আয় উপার্জনের কথা ভাবলেও তিনি কেন মানব কল্যান বেঁছে নেলেন?এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি গরিব মানুষেরা সারাজীবন বঞ্চিত কিন্তু প্রতিবাদ করা ভাষা,সাহস আর সামর্থ্য কিছুই নেই।তাই ওরা যদি আমাকে পুঁজি করে প্রতিবাদ করার সাহস পাই,অধিকার ফিড়িয়ে পাই তাই।তিনি আরো বলেন আমার অধিকাংশ সময় কাটে অসহায় ও বঞ্চিত মানুষের কথা ভেবে কিন্তু আমি একজন অতি ক্ষুদ্র,কি আর করতে পারি।তবে ফেজবুক ও পত্রিকার মাধ্যমে বেশ কিছু সফলতা পেয়েছি আর এটাই জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া আমার ক্ষুদ্র জীবনে।তিনি বলেন যেদিন লেখনীর মাধ্যমে অসহায় কে সহায়তা,বঞ্চিত মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সমাজের কোনো উন্নয়নে নিজেকে মেলে ধরতে পারি,সেদিন যেন ঈদের মত আনন্দ অনুভব করি।

প্রতিটি মানুষের প্রতিষ্ঠিত বা ভাল কিছু করার পেছনে কেউ না কেউ থাকে?এমন প্রশ্নের জবাবে তরুন সাংবাদিক নয়ন বলেন,আমার এই কাজের পিছনে পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের কাছ থেকে কোন উৎসাহ বা সহযোগীতা পাইনি।
ভবিষ্যত উদ্দেশ্য জানতে চাইলে তিনি বলেন ব্যক্তিগত তেমন কোনো চাওয়া পাওয়া নেই।তবে মানুষের জন্য কিছু করতে চাই।

এসো মানব কল্যানে কাজ করি,অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াই, বঞ্চিত মানুষের অধিকার ফিড়িয়ে দিই, নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা কাজে লাগিয়ে সমাজের উন্নয়নের পাশাপাশি দেশের উন্নয়নে নিজেকে মিলে ধরি।ভবিষ্যত পরিকল্পনা তেমন কিছু নেই,সমাজের সচেতন ও বিত্তবান মানুষের সার্বিক সহযোগীতায় মানুষের কল্যানে কাজ করা,গরীব ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা নিশ্চিত করা,সমাজ থেকে মাদক ও বাল্য বিবাহ দুর করা,আইনের সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা,প্রতিবন্ধী,বিধবা ও বয়স্ক ভাতা নিশ্চিত করা সহ প্রভুতি সংস্কার মুলক কাজ করা।

ফেজবুক ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে সফলার গল্পে তিনি বলেন,তেমন চোখে পড়ার মত তেমন কিছু নেই,তবে যদুবয়রা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুর্বৃত্ত কর্তৃক ভাঙা শহীদ মিনার পুনর্নির্মানের জন্য এলজিএসপির ৫০ হাজার টাকা আমার প্রথম সফলতা,এর পর একে একে যদুবয়রা ইউপি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংস্কারের জন্য ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা,সবুজ,স্বাধীন,শিলা সহ কয়েকটি প্রতিবন্ধী ভাতা,এস এস সি ও এইচ এস সি তে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থী চায়নার পড়াশোনা নিশ্চিত করে সুন্দর ভবিষ্যত গড়ার লক্ষ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থাকরা,পান্টি ডিগ্রী কলেজের মেধাবী ছাত্রী শিরীনার পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুব্যবস্থা নিশ্চিত করা,মানসিক প্রতিবন্ধী মেয়ে অসুস্থ বিথির নিজ খরচে সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা,বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করা,গ্রামীন রাস্তা সংস্কার,যশোর থেকে পালিয়ে আসা শিশু সাকিব কে নিজ দায়িত্বে থানায় পোছে দেওয়া সহ বিভিন্ন দায়িত্বশীল কাজ করেছি।
এবং এখনও আমার হাতে বেশ কিছু কাজ রয়েছে।

সর্বশেষে মিজানুর রহমান নয়ন বলেন এসো সবাই মিলে মানব কল্যানে কাজ করি।চোখ মিলিয়ে দেখেন আপনার বাড়ির পাশে অসংখ্য অসহায় ও বঞ্চিত মানুষ আছে।আসুন সবাই মিরে দিনে একটি করে ভাল কাজ করি।তাহলেই আমাদের দেশে কেউ আর অভাব অনাটন এবং অসহায় থাকবে না।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here