কুমারখালীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বেদম প্রহারে চা বিক্রেতা আহত

লিপু খন্দকার ঃ  উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের বাঁখই গ্রামে মৃত হিরাজ শেখের পুত্র চা বিক্রেতা মোঃ ওসমান গনিকে পূর্ব শত্রুতার জেরে একই গ্রামের মৃত সামছুদ্দিনের পুত্র হেলাল উদ্দিন তার সাঙ্গপাঙ্গ সহ দোকান থেকে গভীর রাতে ফেরার পথে বেদম প্রহার করে মারাত্মক আহত করে।

আহত ওসমান গনি ও তার স্ত্রী নাজমা খাতুন জানায়, বিগত কিছুদিন পূর্বে হেলালের চাচা তার বাড়ীর সীমানা প্রাচীর দেওয়ার সময় ওসমান জমি না মেপে প্রাচীর দিতে বাধা সৃষ্টি করায় তারা জোড় পূর্বক প্রাচীর দেয়। অসহায় ওসমান কোনভাবেই তাদের রোধ করতে পারে নাই। তারই জেরে গত রবিবার ২৯ ডিসেম্বর ক্রিকেট খেলা থাকার কারনে যেহেতু চায়ের ব্যবসা অনেক রাত অবধি ক্রেতা থাকে সেকারনে বাড়িতে আসতে প্রায় রাত ১টা বেজে যায় সেসময় পূর্ব থেকে ওৎপেতে থাকা হেলাল ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা তাকে বাড়ির পিছনে রোডের উপর বেধড়ক মারপিট করতে করতে হেলালের বাড়ির সীমানায় নিয়ে যায় এসময়ে ওসমানের চিৎকারে তার স্ত্রী নাজমা খাতুন ছুটে আসলে তারা তাকেও বেধড়ক মারপিট করে। এক পর্যায়ে ওসমান সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লে হেলাল গ্রামের কোয়াক ডাক্তারকে ডেকে নিয়ে আসলে সে দ্রুতগতিতে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাবার পরামর্শ দেয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে প্রেরণ করে।

এবিষয়ে হেলালের ভাইয়ের বউ হাছিনা বেগম জানায়, হেলালের মেয়ে ২ সন্তানের জননী অসুস্থ মীরা তার বাবার বাড়িতে যে ঘরে রাতে থাকে ওসমান মাঝে মাঝে সে ঘরের জানালায় এসে টোকা দেয়। এবিষয়টি মীরা তার বাবাকে জানালে তাকে জানালায় টোকা দেবার সময় গোপনে ডাক দিতে বলে এবং ঘটনার দিন মীরা তার বাবাকে খবর দিলে তারা রাতে ওসমানকে হাতেনাতে ধরে বেধড়ক মারপিট করে।

ওসমানের এই ধরনের চারিত্রিক সমস্যা আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে একাধিক এলাকাবাসী তাকে নিরীহ গোবেচারা বলে জানায়।

হেলালের মেয়ে মীরার নিকট মোবাইল ফোনে ওসমান তাকে কখনো কোন কুপ্রস্তাব দিয়েছে কিনা বা তাকে কখনো রাতে জানালায় ডাকাডাকি করেছে কিনা জিজ্ঞাসা করলে সে মোবাইল ফোনে কোন কথার উত্তর দিতে বাধ্য নয় বলে জানায়।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here