কুমারখালীতে রাহাত বেকারী ও কনফেকশনারির খাবারে মুরগীর উচ্ছিষ্ট

লিপু খন্দকার ঃ কুমারখালী হলবাজারে ফাস্ট ফুডের অন্যতম ও একমাত্র প্রতিষ্ঠান রাহাত বেকারী এন্ড কনফেকশনারি দীর্ঘ দিন যাবত একতরফা ও অনিয়মের মধ্যে দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছে বলে জানা যায়।
একাধিক ভুক্তভোগীরা জানায় রাহাত বেকারী এন্ড কনফেকশনারির খাবারের মান নিম্নমানের নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হলেও তারা আইনের তোয়াক্কা না করে তাদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।

ইতিমধ্যে একাধিকবার প্রশাসনিক ভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তাদেরকে জরিমানা করা হয়েছে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও পরিবেশের সনদ না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয় কিন্তু বর্তমানে সম্মুখভাগ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশের সনদ নিয়ে আসলেও খাবারের মান অত্যন্ত নিম্নমানের বলে জানিয়েছেন একাধিক ক্রেতা। এমনই কয়েকজন ক্রেতা জানান কেক দুর্গন্ধযুক্ত, ডিম প্যাটিসে নকল ডিম, আধা সেদ্ধ চিকেন সহ অধিকাংশ খাবারেই মাঝে মাঝেই বিভিন্ন অভিযোগ পাওয়া যায়।

গতকাল এমনই একজন ক্রেতা রাহাত বেকারী এন্ড কনফেকশনারি থেকে তার বাচ্চার জন্য বার্গার নিয়ে বাসায় গেলে তার বাচ্চা খাবারের সময় দেখা যায় মুখে মুরগীর পালক সাথে সাথে তিনি মুখ থেকে খাবার নিয়ে দেখেন মুরগীর মাংসের সঙ্গে মুরগীর পালক রয়েই গেছে এবং বার্গার থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। তিনি তাৎক্ষণিক বার্গার নিয়ে রাহাত বেকারী এন্ড কনফেকশনারির রাহাতকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি জানান ভুলভ্রান্তি হতেই পারে আপনি এবারের মতো ক্ষমা করে দেন। অতিতে অনেকবার এমন সমস্যা হয়েছে জানালে সে বলে তখন সেই খাবারতো চেঞ্জ করে দেয়া হয়েছে। এবং ডিম কেন রাবারের মতো জিজ্ঞেস করলে সে জানায় পাবনা থেকে ডিম আনা হয় সেখান থেকে ভেজাল ডিম দিলে কি করবে।

খাবারের মান নিম্নমানের, নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর হলেও কোন অভিযোগ দিলে সেই খাবার পরিবর্তন করে দিলেই সমস্যার সমাধান এমনই মানুষিকতা রাহাতের।
আজ ৩ জানুয়ারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজিবুল ইসলাম খানের নিকট উক্ত পালক মিশ্রিত নোংরা বার্গার নিয়ে অভিবাবক রফিকুল ইসলাম অভিযোগ দিয়ে এসেছেন বলে জানা গেছে।

Loading...

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here